১৪ জুন সাধারণ দিন নয়, ১৪ জুন হচ্ছে বিশ্ব গোসল দিবস (World Bath Day)! শুনতে একটু অদ্ভুত বা মজার লাগলেও, এই দিনটির পেছনে চমৎকার একটি ইতিহাস এবং দারুণ কিছু উদ্দেশ্য আছে।
ইতিহাস বলে, গ্রীক বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ আর্কিমিডিস আজকের এই দিনেই (১৪ জুন) বাথটবে গোসল করতে গিয়ে পানির প্লবতার সূত্রটি আবিষ্কার করেছিলেন। বাথটবে নামার পর পানি উপচে পড়তে দেখে তিনি এতটাই উত্তেজিত হয়ে গিয়েছিলেন যে, জামাকাপড় না পরেই "ইউরেকা! ইউরেকা!" (পেয়ে গেছি! পেয়ে গেছি!) বলে চিৎকার করে রাস্তা দিয়ে দৌড়েছিলেন। সেই ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করেই প্রতি বছর ১৪ জুন বিশ্ব গোসল দিবস পালন করা হয়।
আর্কিমিডিসের সেই যুগান্তকারী আবিষ্কার বিজ্ঞানকে বদলে দিয়েছিল। তাই এই দিনটি একাধারে বিজ্ঞানের একটি বড় জয়ের দিন।
পৃথিবীর সব মানুষের কাছে এখনো পরিষ্কার ও নিরাপদ পানির সুবিধা পৌঁছায়নি। এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় পানির অপচয় রোধ করতে এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে।
মানসিক ও শারীরিক প্রশান্তি রক্ষা করতে সারাদিনের ক্লান্তি শেষে এক বালতি বা এক টাফ ঠান্ডা বা হালকা গরম পানির গোসল শরীর ও মন দুটোই সতেজ করে তোলে। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে ।
গোসল নিয়ে বাঙালির আবেগ কিন্তু চিরন্তন! কেউ কেউ শীতকালে গোসল ফাঁকি দেওয়ার বাহানা খোঁজেন, আবার এই তীব্র গরমে দিনে দুই-তিনবার গোসল না করলে অনেকের চলেই না।
আজকের এই বিশেষ দিনে আপনার জন্য শুভকামনা—ভালোমতো গোসল করে, ফ্রেশ হয়ে দিনটি উপভোগ করুন! তবে হ্যাঁ, আনন্দের মাঝে পানির অপচয় না করার বিষয়টিও কিন্তু মাথায় রাখা চাই ।