আবাসন নিউজ ডেস্ক : শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা নিয়ে কাজ করে বাংলাদেশ কালচারাল সোসাইটি। এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে গত ৯ মে শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডি ক্লাবে বাংলাদেশ কালচারাল সোসাইটি আয়োজন করে এক আড়ম্বরপূর্ণ " বৈশাখি আনন্দ আড্ডা ১৪৩৩"। বাংলার ঐতিহ্যকে পরবর্তী প্রজন্ম যাতে ভুলে না যায় সেদিকে খেয়াল রেখেই প্রতিবছর পালিত হয় পহেলা বৈশাখ বর্ষবরণ অনুষ্ঠান।
মাস জুড়ে চলে বৈশাখি আনন্দ উৎসব। এটি বাঙালির প্রধান অসাম্প্রদায়িক আনন্দ উৎসব।বাংলাদেশ কালচারাল সোসাইটি যার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি পীরজাদা নূরুল আবেদীন। তিনি প্রবাসে থেকেও দেশের প্রতি যে মায়া, ভালো বাসা, আন্তরিকতার সাথে তুলে ধরেন তার কর্মের মাধ্যমে। তার দিক নির্দেশনায় কাজ করেই সফল একটি অনুষ্ঠান করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। অশেষ ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পীরজাদা নূরুল আবেদীন সাহেব এর প্রতি।তিনি নিউইয়র্কে থাকেন। অনুষ্ঠানটি ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন তিনি। অনুষ্ঠান সভাপতি মুশতারী বেগম নির্বাহী সভাপতি বাংলাদেশ কালচারাল সোসাইটি।
বেগম রোকেয়া ইসলাম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ কালচারাল সোসাইটি এর সম্পাদনায় উক্ত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে এসেছিলেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত কবি নাসির আহমেদ, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী এ.কে.এম ফজলুল হক যুগ্মসচিব, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। রয়টার্স পুরস্কার প্রাপ্ত ফটো সাংবাদিক রফিকুর রহমান, অংশীর সভাপতি শ্যামলী খান, প্রবীণ তারুন্য নিয়ে কাজ করেন সাহিদা ইসলাম, চিরদিন প্রকাশনীর কর্ণধার মাহাবুবা রহমান লাকী, কবি ও ছড়াকার অধ্যাপক অনিক রহমান বুলবুল, মেজর বদরুল আলম, কবি বেগম ফিরোজা খান, কণ্ঠ শিল্পী হামিদা তাপসী, মীনা হুদা, কবি রজিয়া সুলতানা, আবৃতি শিল্পী এবং লেখক মাহী ফারহানা, জাহানারা বুলা, ডা.রফিকুল ইসলাম, প্রাণ প্রকৃতি প্রতিবেশ পরিবেশ নিয়ে কাজ করেন মূখপাত্র এবং আবাসন নিউজ এর সম্পাদক ও প্রকাশক ইবনুল সাঈদ রানা, প্রবীণ তারুণ্য বাংলাদেশ চাই এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান পাটোয়ারী, সিনিয়র সদস্য রাজিয়া সুলতানা, রন্ধন শিল্পী নাজমা সরকার, কবি আমিরুন নেসা, শব্দ কুটির এর সভাপতি রোকসানা রহমান, উনারা সবাই বাংলাদেশ কালচারাল সোসাইটির সম্মানিত সদস্য।
আবৃত্তি শিল্পী : মাহবুবা হক রুমা, কামরুজ্জামা, অলিউর রহমান খান, মাহী ফারহানা, জাহানারা বুলা, নাহিদ মুন্নি, বেগম ফিরোজা খান, সারিতা চৌধুরী, মীনা ফারুকী।
সংগীত শিল্পী : রাজিউর রহমান ওসমানী, হামিদা তাপসী, এ.কে.এম ফজলুল হক, মুসরাত জাহান মিনা, শাফিউল কবির অরিত্র, মীনা হুদা, শাহিনা পারভিন, দোলা, সুমি, লাবণ্য সীমা, আরো অনেকেই। উনারা সবাই বাংলাদেশ কালচারাল সোসাইটির শিল্পীবৃন্দ। অনুষ্ঠান শুরু হয় বিকাল পাঁচটা থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত। এক ঝাক তারকাবৃন্দ মুখরিত করে রেখেছিল ধানমন্ডি ক্লাব ভি আই পি হল। সাবলীল ভাবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন লাবণ্য সীমা একজন আবৃত্তি শিল্পী, সংগীত শিল্পী একজন কবি, তিনি বাংলাদেশ কালচারাল সোসাইটির যুগ্ম সম্পাদক। আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই যারা কষ্ট করে অনুষ্ঠানে এসে অনুষ্ঠান সফল করেছেন। ঠিক এভাবেই পাশে থাকবেন সব সময় এই প্রত্যাশা রইলো। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থতার সাথে দীর্ঘায়ু করুন।